Joe Rogan reacts to ‘MVP’ vs Sam Patterson at UFC London: ‘Crazy bad’
· The Independent

· The Independent

· Prothom Alo
একে একে কেটে গেছে ২৫ বছর। হয়তো কারও সঙ্গে দেখা হতো, কথা হতো। কিন্তু একসঙ্গে বড় পরিসরে কারও দেখা হয়নি। এবার ২৫ বছর পর তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন। দিনভর বর্ণিল নানা আয়োজনে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর খুনসুটিতে আনন্দ ভাগাভাগি করলেন তাঁরা।
Visit grenadier.co.za for more information.
তাঁরা সবাই ২০০১ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী। দেশের ইতিহাসে জিপিএ পদ্ধতিতে প্রথম ব্যাচ। বৃহত্তর কুষ্টিয়ার ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী ২৫ বছর পূর্তি উদ্যাপন করলেন। গতকাল রোববার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তাঁরা এ আয়োজন করেন।
‘বন্ধুত্বের ২৫ বছর স্মৃতিতে আমরা, হৃদয়ে বন্ধুত্ব’ স্লোগানে দিনভর ছিল উৎসবের রং। সারা দিন বন্ধুদের উচ্ছ্বাস আর উল্লাস। হইহুল্লোড়, বর্ণিল শোভাযাত্রা, কেক কাটা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—এসব উৎসবের মাধ্যমে ২৫ বছর পূর্তি উৎসব উদ্যাপিত হলো। এই আয়োজনে বন্ধুদের পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন। এ ছাড়া কুষ্টিয়ার স্বনামধন্য সাতজন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এদিন সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমি থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। হাতে নানা ফেস্টুন নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে ফিরে আসে শোভাযাত্রাটি। এরপর সেখানে ফটোফ্রেমে ছবি তোলা আর নিজের মুঠোফোনে বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি তোলায় মত্ত হয়ে ওঠেন। পুরোনো অনেক বন্ধু ফিরে যান সেই ২৫ বছর আগে। কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। চিনতে কিছুটা দেরি হলেও গল্পে গল্পে পুরোনো কথা আর স্মৃতিতে হারিয়ে যান তাঁরা।
শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে ২০০১ ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদী হাসানের সঞ্চালনায় বন্ধুদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ, ফ্যাশন শো, মেয়েবন্ধুদের চেয়ারে বসা এবং সব বন্ধুর বালিশখেলা বেশ আনন্দ দেয়। দুপুরের পর কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, বালিকা বিদ্যালয়, পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন স্কুলের সাতজন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁদের হাতে ফুলের তোড়া, উত্তরীয় ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন ইলা রানী সাহা, মঈনউদ্দীন আহমেদ, স্বপন কুমার মালাকার, আতিয়ার রহমান, খোদেজা বেগম, আবদুল হান্নান ও ইব্রাহীম হোসেন।
আতিয়ার রহমান বলেন, ‘তোমরা যেখানেই থাকো, যে অবস্থানেই থাকো, ভালো মানুষ হয়ে দেশের সেবা করো। দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করো।’
শাম্মী আক্তার নামে ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এত দিন পর সবাইকে কাছে পেয়ে পুরোনো দিনে আবার হারিয়ে গেলাম। কত সুন্দর ছিল সেই সোনালি স্মৃতি! স্মৃতিগুলো বহন করব আমৃত্যু। এটা আমাকে কখনো কাঁদাবে, কখনো হাসাবে। এটা অমূল্য এক সম্পদ।’
বিকেলে শিল্পকলার মুক্তমঞ্চের সামনে এক মণ ওজনের একটি বিশাল কেট কেটে হইহুল্লোড়ে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। দেশের বাইরে থাকা কয়েকজন বন্ধুর ভিডিও বার্তা দেখানো হয় মঞ্চের স্ক্রিনে। মজার মজার কথার ফাঁকে ফাঁকে বন্ধুরা মঞ্চে নাচ–গান পরিবেশন করেন। সন্ধ্যার পর শিল্পী প্রিন্স ও সাব্বির কোরাইশী গান পরিবেশন করেন। রাত ১০টার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
· Times of India