Muso Jam

After 26 Years Of Separation, Woman Seeks ₹25 Lakh Alimony In Bhopal

· Free Press Journal

Bhopal (Madhya Pradesh): After living separately for 26 years without divorce, a woman in Bhopal has sought a one-time alimony of Rs 25 lakh from her husband, bringing their long-pending marital dispute back to court.

A couple in the city has been living separately for the past 26 years. They have neither filed for divorce nor have attempts at reconciliation succeeded. They have not remarried. Both are in their fifties.

Visit mwafrika.life for more information.

The man, from a farming family in neighbouring Vidisha district, and the woman, a resident of Bhopal, are currently involved in a case before the district family court.

The two married in 1999 in an arranged match and began living together in Bhopal. However, within a few months, disputes arose and attempts at reconciliation failed.

About a year after the marriage, the woman left her husband’s home and began living with her parents in Bhopal. The couple had no children.

The woman later filed a case seeking maintenance under Section 15 of the Hindu Marriage Act in the Bhopal district family court. The court awarded Rs 2,000 per month as maintenance, which was later increased to Rs 4,000.

Meanwhile, the man turned to spiritualism and began delivering sermons on the Gita and other Hindu scriptures at religious gatherings. He continued to pay maintenance regularly.

Over the years, neither party sought divorce, remarried, or made further attempts at reconciliation.

Some years ago, the woman alleged that her husband had stopped paying maintenance and that arrears had reached Rs 36,000.

The man was summoned and proposed that she resume living with him, but she declined and sought financial settlement instead.

According to Shail Awasthi, a counsellor at the court, the matter recently came up again when the woman filed an application seeking enhancement of maintenance.

During counselling, she demanded a one-time alimony of Rs 25 lakh to secure her future, while the man said he could afford a maximum of Rs5 lakh.

Bhopal Metro Enters Final Safety Audit Ahead Of Two-Way Commercial Operations

Read full story at source

বস্তু থেকে আয়াত: প্রকৃতি-পাঠের এক তাওহিদি রূপান্তর

· Prothom Alo

ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা আধুনিক পরিবেশচিন্তার একটি মৌলিক সওয়ালকে সামনে আনে। সেটা হলো, আমরা প্রকৃতিকে কী হিসেবে দেখি—বস্তু হিসেবে, নাকি অর্থবাহী বাস্তবতা হিসেবে?

আধুনিক যুগে প্রকৃতির প্রধান পাঠ গড়ে উঠেছে পর্যবেক্ষণ, পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণের আন্দাজকে কেন্দ্র করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের বহু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির রাহা উন্মুক্ত করেছে, প্রকৃতির কার্যকারণ, গঠন ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে মানবজাতিকে গভীর জ্ঞান দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে এই পাঠের একটি সীমাও রয়েছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

যখন প্রকৃতিকে প্রধানত একটি সম্পদব্যবস্থা বা উপযোগমূলক কাঠামো হিসেবে দেখা হয়, তখন তার মূল্য ক্রমশ তার ব্যবহারিক কার্যকারিতার সরহদে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। বন তখন কাঠের উৎস, নদী পানিসম্পদের বাহক, পাহাড় খনিজের ভান্ডার এবং জীববৈচিত্র্য অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার উপাদানে পরিণত হয়।

নদীর উদাহরণ এ ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আধুনিক হাইড্রোলজি নদীকে জলপ্রবাহ, অববাহিকা, ক্ষয় ও সঞ্চয়ের একটি জটিল ভৌত ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাখ্যা করে।

ফলে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অংশীদারত্বে থাকে না, প্রভুত্বের দিকে চলে যায়।

ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই সীমাবদ্ধতার বিপরীতে একটি বিকল্প পাঠ প্রস্তাব করে। সে বিজ্ঞানের অর্জনকে অস্বীকার করে না, বরং তার ব্যাখ্যাগত পরিসরকে সম্প্রসারিত করতে চায়।

এই দৃষ্টিতে প্রকৃতি কেবল একটি ভৌত বাস্তবতা নয়; একই সঙ্গে একটি আয়াতিক বাস্তবতা। মানে আলামত (সাইনস), দালালাহ (ইনডিকেটিভ মিনিং) এবং শুহুদের (ইউটনেসিং অর প্রেজেন্স) সমন্বয়ে গঠিত এক জীবন্ত অস্তিত্বব্যবস্থা।

অর্থাৎ কায়েনাত এমন এক অস্তিত্বব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি সত্তা নিজেকে ছাড়িয়ে বৃহত্তর অর্থের দিকে ইঙ্গিত করে। সে কেবল একটি বস্তু নয়, একটি আলামত। সে কেবল কার্যকর উপাদান নয়, বরং একটি ‘দালালাহ’। সে কেবল একটি দৃশ্যমান ঘটনা নয়, বরং ‘শুহুদে’র এক অবিরাম ক্ষেত্র।

এখানে জগৎকে একটি নির্বাক বস্তু-সিস্টেম হিসেবে দেখা হয় না, বরং অর্থ, সম্পর্ক ও বিধানের জীবন্ত বিন্যাস হিসেবে পাঠ করা হয়।

এই দৃষ্টিকোণের ভিত্তি হলো তাওহিদি বিশ্বদর্শন। কায়েনাত কোনো স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর ব্যবস্থা নয়; বরং সুনানুল্লাহ (আল্লাহর রীতি) দ্বারা পরিচালিত এক সুশৃঙ্খল অস্তিত্ব-ব্যবস্থা।

কোরআনের ভাষায় সৃষ্টিজগতের মধ্যে মিজান বা ভারসাম্য, তাকদির বা পরিমিতি এবং আয়াত বা অর্থবাহী নিদর্শনের উপস্থিতি রয়েছে। ফলে প্রকৃতির প্রতিটি সত্তা কেবল নিজের জন্য বিদ্যমান নয়; বরং প্রতিটিই একটি বৃহত্তর বিধানিক ও অর্থগত কাঠামোর অংশ।

ওহি ও বুদ্ধিবৃত্তি: ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের  ভারসাম্য 

বন তাই শুধু বৃক্ষসমষ্টি নয়; সে জীবনের ভারসাম্য রক্ষাকারী এক জটিল সত্তাগত নেটওয়ার্ক। পাহাড় কেবল ভূতাত্ত্বিক উঁচু ভূমিরূপ নয়; সে স্থিতি, ভারসাম্য ও ধারাবাহিকতার জাহেরি প্রকাশ। নদী কেবল জলপ্রবাহ নয়; বরং জীবন, সংযোগ, বণ্টন ও পুনর্নবীকরণের একটি অবিরাম ভাষা।

এ কারণে ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা কায়েনাতকে একটি সেমিওটিক অস্তিত্বব্যবস্থা হিসেবে দেখে ও দেখায়। এখানে বাস্তবতা ও অর্থ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং পরস্পরের ব্যাখ্যাকারী। বস্তু কেবল বস্তু নয়, অর্থের বাহকও; আর অর্থ কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়, বরং সে বাস্তবতার মধ্যেই প্রতিফলিত।

প্রকৃতির প্রতিটি ঘটনা, প্রতিটি সম্পর্ক ও প্রতিটি পরিবর্তন এই বৃহত্তর বিধানিক ব্যবস্থার একটি প্রকাশ। ঋতুচক্র, পানিচক্র, বীজের অঙ্কুরোদ্‌গম, নদীর প্রবাহ কিংবা নক্ষত্রের গতি কেবল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া নয়; একই সঙ্গে সুনানুল্লাহর পুনরাবৃত্ত ও পর্যবেক্ষণযোগ্য তাজাল্লি।

নদীর উদাহরণ এ ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আধুনিক হাইড্রোলজি নদীকে জলপ্রবাহ, অববাহিকা, ক্ষয় ও সঞ্চয়ের একটি জটিল ভৌত ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাখ্যা করে এবং এই ব্যাখ্যা সত্য ও প্রয়োজনীয়।

এর অর্থ এই নয় যে বৈজ্ঞানিক ভাষাকে ধর্মীয় ভাষা দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে। বরং উভয়কে এমন একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যামূলক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করতে হবে,

কিন্তু এই ব্যাখ্যাই কি নদীর সমগ্র সত্য? নদী কি কেবল পানি বহন করে, নাকি অর্থও বহন করে?

এই দৃষ্টিতে নদীর প্রবাহ কেবল ভৌত গতি নয়; বরং জীবনকে সংযুক্ত, পুষ্ট ও পুনর্নবীকৃত একটি সৃষ্টিগত ধারা। সে গ্রহণ করে, ধারণ করে ও বিতরণ করে। তার অস্তিত্ব সম্পর্কময়। সে নিজের জন্য প্রবাহিত হয় না; বরং এক বৃহত্তর জীবনব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রবাহিত হয়।

এখানেই নদী একটি আয়াত, একটি দৃশ্যমান বাস্তবতা, যা নিজেকে অতিক্রম করে বৃহত্তর সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে।

একই ভাবে বৃক্ষের বাস্তবতাও কেবল জীববৈজ্ঞানিক পরিভাষায় সম্পূর্ণ জাহির হয় না। জীববিজ্ঞান আমাদের বলে, বৃক্ষ একটি ফটোসিন্থেটিক জীব, কার্বন-চক্রের অংশ এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

এই বর্ণনাকে অস্বীকার না করেও তার মধ্যে আরও গভীর অর্থ আবিষ্কার করা যায়। বৃক্ষের অস্তিত্ব ‘দান’ এর একটি ভাষা। বৃক্ষ নিজের জন্য ফল উৎপাদন করে না, নিজের জন্য ছায়া ধরে রাখে না, নিজের জন্য অক্সিজেন সঞ্চয় করে না। তার জীবন এমন এক অস্তিত্বগত উদারতার প্রকাশ, যেখানে গ্রহণ ও প্রদান পরস্পরবিরোধী নয়, বরং একই ছন্দের অংশ।

এখানে বৃক্ষকে নৈতিক সত্তা বলা হয় না। কারণ, নৈতিক দায়বদ্ধতা মানুষের মতো সচেতন ইচ্ছার সঙ্গে সম্পর্কিত। বরং বৃক্ষের মধ্যে দেখা হয় সৃষ্টিগত আনুগত্যের এক নিখুঁত প্রকাশ।

এই আনুগত্য তামাম কায়েনাতে আছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি সত্তা তার নির্ধারিত ভূমিকা পালন করে এবং সমগ্র সৃষ্টিজগতের ভারসাম্যে অবদান রাখে।

ফলে ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার নৈতিক ভিত্তিও স্বতন্ত্র। এখানে মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়, আবার প্রকৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সমমর্যাদাসম্পন্ন একটি সত্তাও নয়। মানুষ আমানতদার। তার বিশেষত্ব নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং দায়িত্বে; আধিপত্যে নয়, বরং জবাবদিহিতে।

মানুষ একই সঙ্গে পাঠক ও পাঠ্য। সে কায়েনাতকে পাঠ করে, আবার তার নিজের জীবনও এই কায়েনাতের মধ্যে একটি আয়াত হিসেবে উপস্থিত থাকে। প্রকৃতির সঙ্গে তার সম্পর্ক তাই ব্যবহারিক হওয়ার আগে নৈতিক, আর নৈতিক হওয়ার আগে অস্তিত্বগত।

সে প্রকৃতিকে কেবল ব্যবহার করে না; তার অর্থ বোঝারও চেষ্টা করে।

এই দৃষ্টিকোণে বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলোও নতুন অর্থমাত্রা লাভ করে। পদার্থ কেবল উপাদান নয়, সৃষ্ট সম্ভাবনার ধারক; শক্তি কেবল এনার্জি নয়, কুদরতের কার্যকর প্রকাশ; প্রাকৃতিক নিয়ম কেবল ন্যাচারাল ল নয়, বরং সুনানুল্লাহর পুনরাবৃত্ত বিধানিক ধারা; তথ্য কেবল ডেটা নয়, বরং এমন ইশারা—যা সত্যের দিকে নির্দেশ করে।

প্রকৃতি নিছক সম্পদ নয়, আবার রোমান্টিক কল্পনাও নয়। সে হচ্ছে সৃষ্টির সেই অর্থবাহী বাস্তবতা, যেখানে পদার্থ, জীবন, নিয়ম, সৌন্দর্য ও সত্য এক তাওহিদি ঐক্যের মধ্যে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে থাকে।

এর অর্থ এই নয় যে বৈজ্ঞানিক ভাষাকে ধর্মীয় ভাষা দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে। বরং উভয়কে এমন একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যামূলক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করতে হবে, যেখানে কার্যকারণ ও অর্থ, পর্যবেক্ষণ ও মূল্য, বস্তু ও আয়াত পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন না থেকে একে অপরকে পূর্ণতা দেবে।

অতএব ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা মূলত প্রকৃতির একটি পুনর্পাঠ। সে পরিবেশকে কেবল সংরক্ষণের বিষয় হিসেবে দেখছে না, বরং অর্থ, দায়িত্ব ও সত্তার প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করছে। এই পাঠে সমগ্র কায়েনাত একটি জীবন্ত কিতাব, যার প্রতিটি সত্তা আয়াত, প্রতিটি সম্পর্ক অর্থবাহী ইশারা এবং প্রতিটি নিয়ম আল্লাহর সুন্নতের প্রকাশ।

এই কিতাবকে পর্যবেক্ষণ করলেই মানুষের কাজ সম্পন্ন হয় না, বরং প্রয়োজন তাকে অর্থসহ পাঠ করা। মানুষের কাজ প্রকৃতিকে ব্যবহারেই সীমিত নয়, বরং জরুরি হলো, তার প্রতি আমানতের দায়িত্ব পালন করা।

এই ভাবধারায় প্রকৃতি নিছক সম্পদ নয়, আবার রোমান্টিক কল্পনাও নয়। সে হচ্ছে সৃষ্টির সেই অর্থবাহী বাস্তবতা, যেখানে পদার্থ, জীবন, নিয়ম, সৌন্দর্য ও সত্য এক তাওহিদি ঐক্যের মধ্যে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে থাকে।

  • মুসা আল হাফিজ : লেখক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের চেয়ারম্যান

বিজ্ঞান, দর্শন ও ওহি: কায়েনাত-পাঠের ত্রিমাত্রিক পদ্ধতি

Read full story at source

George criticises 'unacceptable' Auvaa over nightclub incident

· BBC News