Muso Jam

শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তির বাড়িতে আগুন, লুটপাট

· Prothom Alo

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের মধ্যপাড়া থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধারের পর জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় বিক্ষুব্ধ একদল গ্রামবাসী।

Visit betsport.cv for more information.

ওই শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পাঁচটার পর থেকে তাকে খুঁজে পাচ্ছিল না তার পরিবার। পরে তার পরিবার ও স্বজনেরা আশপাশে‌ তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত পৌনে আটটার দিকে মধ্যপাড়ার একটি পানের বরজের পাশে একটি পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় তার গলাকাটা লাশ দেখতে পান তাঁরা। খবর পেয়ে রাত নয়টার দিকে ঘটনাস্থল গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় লাশের পাশে একটি পানির বোতল পাওয়া যায়।

এদিকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধারের পর জাহাঙ্গীরের পানের বরজ ও বসতবাড়ির অন্তত দুটি ঘরে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ সময় ওই বাড়িতে থাকা হাঁস-মুরগিসহ সবকিছু লুটপাট করে একদল লোক। আগুনে ঘরগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। রাত ১১টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি ফায়ার সার্ভিস।

জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস মোল্লাহাট স্টেশনের স্টেশন অফিসার শরিফ আমিনুল ইসলাম রাত ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের কাছেই আছি। সেখানকার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, পুলিশ এলে আমরা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করব।’

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাহাঙ্গীর ও তাঁর দুই ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রাত ১১টার দিকে কথা হয় মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিনের সঙ্গে। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বিক্ষুব্ধ কিছু গ্রামবাসী খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশি হেফাজতে থাকা জাহাঙ্গীরের বসতবাড়িতে এবং পানের বরজে অগ্নিসংযোগ করেছে। শিশু খুনের ঘটনার পর ওই এলাকাটি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় জাহাঙ্গীর ও তাঁর দুই ছেলেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কারা কী কারণে শিশুটিকে হত্যা করেছে, তা পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। এ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Read full story at source

JKCA ‘scam’: Jammu and Kashmir HC rejects ED plea to add charges

· Times of India

বিভাগীয় শহরগুলোতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান বিচারপতির

· Prothom Alo

বিভাগীয় শহরগুলোতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে জানিয়ে এ জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল ভবন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।

আজ শনিবার সিলেট শহরতলির একটি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে সিলেট বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আদালতের বিচারকেরা অংশ নেন।

Visit palladian.co.za for more information.

অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামি হাজিরকরণসহ বিচারিক কার্যক্রমের উপযুক্ত ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিচারকদের নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার সর্বোচ্চ ও যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য বিচারকদের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে আইন ও বিচারিক মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন।

সিলেট বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকেরা অনুষ্ঠানে দ্রুত ও কার্যকরভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীর সংকট, বাজেটস্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধান বিচারপতি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এসব সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে মনিটরিং কমিটি ফর সাবঅর্ডিনেট কোর্টসের সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিলেট বিভাগের চার জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তাঁরা বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও কার্যকর বিচারসেবা প্রদান, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, বিচারিক কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেন।

Read full story at source